যেভাবে চিনবেন নকল হাঁসের ডিম

ডিম বাংলাদেশের মানুষের কাছে একটি জনপ্রিয় খাবার। পুষ্টি ও স্বাদে ভরপুর হওয়ায় ছোট বড় সকলকেই ডিম খাওয়ার পরামর্শ দেন চিকিৎসকরা। বিশেষ করে দেশি হাঁস ও মুরগির ডিম সকলের কাছে জনপ্রিয়। সচরাচর এই ডিম সব জায়গায় পাওয়া না যাওয়াই অন্যান্য ডিমের তুলনায় একটু বেশি দামে ক্রয় করে থাকেন ক্রেতারা।

আবার শহরাঞ্চলে হাটে বাজারে সেদ্ধ ডিমের তুমুল চাহিদা রয়েছে। কিন্তু সাম্প্রতিক প্রায় সময় শোনা যায় নকল ডিম বেচাকেনার ঘটনা। তাহলে এখন প্রশ্ন কিভাবে চিনবেন কোনটি আসল ডিম এবং কোনটি নকল ডিম?

আসল হাঁসের ডিম সাধারণত আকারে কিছুটা বড় হয় এবং খোসা একটু সবুজাভ/নীলচে শক্ত ও খসখসে হয়। অন্যদিকে ফার্ম বা কৃত্রিম ডিমের খোসা তুলনামূলক মসৃণ ও চকচকে হয়ে থাকে। দেশি ডিমের কুসুম গাঢ় হলুদ বা কমলা রঙের হয়। অন্যদিকে কৃত্রিম ডিমের কুসুম হালকা হলুদ হয়।

কুসুমের গঠন দেখেও চেনা যাবে আসল কিংবা নকল। আসল ডিম ভাঙলে কুসুম শক্ত ও গোল হয়ে থাকে। অন্যদিকে কৃত্রিম বা নকল ডিমের কুসুম সহজেই ছিঁড়ে যায়।

পানিতে ডিমের পরীক্ষা করে খুব সহজে বুঝতে পারবেন কোনটি ভালো বা কোনটি নষ্ট। একটি বাটিতে পানি নিয়ে সেখানে ডিম ছাড়লে ডিমটি যদি ডুবে যায় তাহলে বুঝবেন ডিমটি তাজা ও ভালো রয়েছে। অন্যদিকে বাসি বা পচা ডিম পানিতে ভেসে উঠবে।

সাধারণত, আসল বা তাজা ডিমে বাজে দুর্গন্ধ থাকে না। কিন্তু নষ্ট বা নিম্নমানের ডিমে দুর্গন্ধ থাকে। রান্নার সময় ডিমের আচরণ দেখে বুঝতে পারবেন এটি আসল নাকি নকল। আসল ডিম ভাজার সময় কুসুম সুন্দরভাবে ফুলে থাকে। অন্যদিকে নকল ডিমের কুসুম ছড়িয়ে পড়ে এবং স্বাদ কম হয়।

আসল হাসের টিমের আকৃতি সব সময় সমান হয়ে থাকে কিন্তু নকল ডিম মাঝেমধ্যে বাঁকা উঁচু নিচু, মোট বা সরু অথবা কখনো আলুর মতো ও‌ হতে পারে। তবে আপনি যদি প্রকৃতপক্ষে দেশি হাঁস বা মুরগির ডিম খেতে চান। তাহলে গ্রামগঞ্জের বাসা বাড়ি থেকে ডিম ক্রয় করতে পারেন। যদিও তা বিরল। বর্তমান মার্কেটের অধিকাংশ হাঁস ও মুরগির ডিম ফার্ম/খামারের হয়ে থাকে।

শেখ আব্দুর রব চৌধুরী ইমন নিউজ ডেস্ক বঙ্গভাষা

Discover more from বঙ্গভাষা

Subscribe now to keep reading and get access to the full archive.

Continue reading